কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৪ এ ০৬:২৭ PM

পটভূমি

কন্টেন্ট: পাতা

দেশের খনি ও খনিজ সম্পদকে অভ্যন্তরীন শিল্প-কারখানায় ব্যবহারের লক্ষ্যে ২০০১ সালের জুলাই মাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে  এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)-এর তত্ত্বাবধানে “ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটালার্জি, বিসিএসআইআর, জয়পুরহাট স্থাপন”-শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয় এবং ২০০৯ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পটি সমাপ্ত হয়। ৩০ জুন ২০১০ সালে ৩৬ জন জনবল নিয়োগের মাধ্যমে ইন্সটিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২২ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে “ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটালার্জি (আইএমএমএম), বিসিএসআইআর, জয়পুরহাট”-এর শুভ উদ্বোধন করেন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জন-গুরুত্বপূর্ণ ইন্সটিটিউটটির গবেষণা কার্যক্রমের ব্যাপ্তি রয়েছে সুবিশাল ও সুবিস্তৃত। 

বাংলাদেশের উওরাঞ্চলে কয়লা, কঠিন শিলা, চুনাপাথর, কাঁচবালু, হোয়াইট ক্লে, ভারি খনিজ (ইলমিনাইট, রুটাইল, জিরকন, মোনাজাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট, কায়ানাইট, লিওকক্সিন ইত্যাদি)-এর সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বড়পুকুরিয়া, জামালগঞ্জ, ফুলবাড়ি, দিঘীপাড়া, মিঠাপুকুর, রানী পুকুর, খালাশপীর অঞ্চলে কয়লা, মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলা, জয়পুরহাটে চুনাপাথর এবং ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর প্রবেশ মুখে ভারী খনিজ (Heavy Minerals) আবিষ্কৃত হয়েছে। এছাড়াও দেশের অন্যান্য অঞ্চল যেমন কক্সবাজার, ইনানী, টেকনাফ, মহেশখালী, বদরমোকাম ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভারি খনিজ, মাদারীপুর অঞ্চলে পীট এবং মৌলভীবাজারে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশের খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উওোলন পদ্ধতি, গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ব্যবহার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসাবে ইন্সটিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি এন্ড মেটালার্জি, বিসিএসআইআর, জয়পুরহাট গড়ে উঠেছে। বর্তমানে ইন্সটিটিউটের তিনটি গবেষণা বিভাগ রয়েছে। 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন